কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫ এ ১০:৩৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন নগরীর রাজধানী, সার্ক ঘোষিত সাংস্কৃতিক রাজধানী ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় সম্বলিত, করতোয়া বিধৌত বর্তমানে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত বগুড়া শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত গৌরব্বোজ্জল সাফল্যের অধিকারী দেশের বৃহৎ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অন্তর্গত কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ০৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা কার্যক্রম অতি সুনামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে।
১৯৫৫ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬২ সালে। সে সময় এডওয়ার্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কুলে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমান ক্যাম্পাসটিতে কার্যক্রমের সূচনা হয় ১৯৭৭ সালে। ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির তৎকালীন পাঠ্যক্রম অনুসারে ৩ বছর মেয়াদি কোর্সের বর্তমান মেয়াদ ৪ বছর। ১৯৬২ সালে বগুড়া শহরের কেন্দ্রস্থলে ( সাত মাথায় ) তদানিন্তন এডওয়ার্ড ইন্ডাষ্ট্রিয়াল স্কুলের প্রাচীর ঘেরা ভবনে ইন্সটিটিউট এর কার্যক্রম শুরু হয়। সিভিল ও পাওয়ার টেকনোলজি নিয়েই যাত্রা শুরু করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি।
পরবর্তিতে কারিগরি শিক্ষার প্রসারতার লক্ষ্যে বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট নামকরণে শেরপুর রোডের বর্তমান ভোকেশনাল টিচার্স ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ক্যাম্পাসে বিভিন্ন টেকনোলজির সমন্বয়ে ইন্সটিটিউট স্থানান্তর করা হয় এবং ১৯৭৭ সালে বর্তমান ক্যাম্পাসে ইন্সটিটিউটের যাত্রা শুরু হয়। সরকারী সিদ্ধান্তের আলোকে পরবর্তীতে আরও টেকনোলজির সংজোযন করা হয়। বিশ্ব-ব্যাংকের আইডিএ ক্রেডিটের অধীনে নির্মিত হয় বর্তমান অবকাঠামো।
বগুড়া পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সবুজ ছায়া ঘেরা বৃক্ষরাজীতে পরিবেষ্ঠিত এবং ইন্সটিটিউটের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবনের সামনে আলোক সজ্জায় সজ্জিত ফোয়ারা সম্বলিত মনোমুগ্ধকর ফুলের বাগান অবস্থিত। ১৮ একর জমির উপর নির্মিত এ প্রতিষ্ঠানটিতে ৩ তলা সুরম্য ভবন সমূহের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবন, আবাসিক ভবন, ছাত্রাবাস, ছাত্রীনিবাস ইত্যাদির সন্নিবেশ ঘটেছে। ইন্সটিটিউটের প্রবেশ পথের গেটে, একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবনের গেটে এবং ছাত্রাবাসসমূহ ও ছাত্রীনিবাসের প্রবেশের গেটসমূহে রয়েছে সুসজ্জিত তরুণ ও কর্তব্যনিষ্ঠ নিরাপত্তা প্রহরী, যারা সার্বক্ষনিক প্রয়োজনীয় যোগাযোগের মাধ্যমসহ নিরাপত্তা ও আগমনকারীদের তথ্য সংগ্রহ করেছে।